প্রকাশিত হয়েছেঃ মার্চ ১২, ২০২৪ সময়ঃ ২:৩৫ অপরাহ্ণ
ভালুকা (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি।।
ময়মনসিংহের ভালুকায় লুটপাট ও চাঁদাবাজি মামলার অন্যতম আসামি ইউনিয়ন যুবলীগ নেতা নাঈম সরকারকে (২৬) গ্রেফতার করেছে মডেল থানা পুলিশ। ঢাকার উত্তরা থেকে সোমবার (১১ মার্চ) বিকেলে তাকে গ্রেফতার করে মঙ্গলবার সকালে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। নাঈম সরকার উপজেলার কাশর গ্রামের ব্যবসায়ী জাফর সরকারের ছেলে। ভালুকা মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো: জাহাঙ্গীর আলম গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
মামলা সূত্রে জানা যায়, গত ২৭ ফেব্রæয়ারি মধ্যরাতে উপজেলার ছোটকাশর গ্রামের মৃত মফিজ উদ্দিনের ছেলে ব্যবসায়ী জজ মিয়ার বাড়িতে ৪০/৪৫ জনের একদল লোক দেশিয় অস্ত্রসস্ত্র নিয়ে হামলা চালায়। এসময় তার বড় ভাই মো: ফারুক মিয়াকে (৪৫) এলোপাথারী মারপিট করে এবং জজ মিয়া কোথায় আছে জানতে চায়। পরে জজ মিয়াকে না পেয়ে তার স্ত্রীর বসত ঘরে ডুকার চেষ্টা করে। স্ত্রী ভয়ে আত্মরক্ষার জন্য বসত ঘরের অন্য দরজা দিয়ে পালিয়ে যান। এসময় কাউকে না পেয়ে ঘরে থাকা বিভিন্ন আসবাবপত্রসহ গ্যারেজে থাকা হেরিয়ার গাড়ি ও অফিসের আসবাবপত্র ভাংচুর করে এবং পাঁচ লক্ষাধিক টাকার ক্ষতি সাধন করে। পরে জজ মিয়ার ব্যবসায়ীক অফিসের টেবিলের ড্রায়ারের তালা ভাংচুর করে ড্রায়ারে থাকা নগদ এক লাখ টাকা লুট করে নিয়ে যায়। এমনকি মূল্যবান দলিলপত্র, চেক বইসহ সমস্ত প্রমাাণ ও তথ্য লোপাট করার উদ্দেশ্যে সিসি ক্যামেরা ও ডিভাইজ এবং হার্ডডিক্স নিয়ে যাওয়া হয়। পরে স্থানীয় টিএম টেক্সাইল ফ্যাক্টরীর কেন্টিনে দেয়ার জন্য প্রস্তুতকৃত এক লাখ ৮০ হাজার টাকার গরুর মাংস চুরি করে নিয়ে যাওয়া হয়।
ওই ঘটনায় ব্যবসায়ী জজ মিয়া বাদি হয়ে সিডষ্টোর বাজার এলাকার আব্দুল লতিফের ছেলে যুবলীগ নেতা হানিফ মোহাম্মদ নিপুন (৩৫), কাশর গ্রামের জাফর সরকারের ছেলে ১০ নম্বর হবিরবাড়ি ইউনিয়ন যুবলীগের উপ দপ্তর সম্পাদক নাঈম সরকার (২৬) ও স্বাধীন সরকার (২২) এবং জনৈক আক্তার মূর্ধার (৪০) নাম উল্লেখ আরো অজ্ঞাতনামা ৪০/৪৫ জনদের বিরুদ্ধে ভালুকা মডেল থানায় মামলা (নম্বর ৪৩, তারিখ, ২৮/০২/২৪ইং ) দায়ের করেন।
ভালুকা মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো: জাহাঙ্গীর আলম জানান, সোমবার বিকেলে তার নেতৃত্বে একদল পুলিশ অভিযান চালিয়ে ঢাকার উত্তরা থেকে নাঈম সরকারকে গ্রেফতার করা হয়। পরে মঙ্গলবার সকালে তাকে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

ময়মনসিংহের ভালুকায় লুটপাট ও চাঁদাবাজি মামলার অন্যতম আসামি ইউনিয়ন যুবলীগ নেতা নাঈম সরকারকে (২৬) গ্রেফতার করেছে মডেল থানা পুলিশ। ঢাকার উত্তরা থেকে সোমবার (১১ মার্চ) বিকেলে তাকে গ্রেফতার করে মঙ্গলবার সকালে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। নাঈম সরকার উপজেলার কাশর গ্রামের ব্যবসায়ী জাফর সরকারের ছেলে। ভালুকা মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো: জাহাঙ্গীর আলম গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
মামলা সূত্রে জানা যায়, গত ২৭ ফেব্রæয়ারি মধ্যরাতে উপজেলার ছোটকাশর গ্রামের মৃত মফিজ উদ্দিনের ছেলে ব্যবসায়ী জজ মিয়ার বাড়িতে ৪০/৪৫ জনের একদল লোক দেশিয় অস্ত্রসস্ত্র নিয়ে হামলা চালায়। এসময় তার বড় ভাই মো: ফারুক মিয়াকে (৪৫) এলোপাথারী মারপিট করে এবং জজ মিয়া কোথায় আছে জানতে চায়। পরে জজ মিয়াকে না পেয়ে তার স্ত্রীর বসত ঘরে ডুকার চেষ্টা করে। স্ত্রী ভয়ে আত্মরক্ষার জন্য বসত ঘরের অন্য দরজা দিয়ে পালিয়ে যান। এসময় কাউকে না পেয়ে ঘরে থাকা বিভিন্ন আসবাবপত্রসহ গ্যারেজে থাকা হেরিয়ার গাড়ি ও অফিসের আসবাবপত্র ভাংচুর করে এবং পাঁচ লক্ষাধিক টাকার ক্ষতি সাধন করে। পরে জজ মিয়ার ব্যবসায়ীক অফিসের টেবিলের ড্রায়ারের তালা ভাংচুর করে ড্রায়ারে থাকা নগদ এক লাখ টাকা লুট করে নিয়ে যায়। এমনকি মূল্যবান দলিলপত্র, চেক বইসহ সমস্ত প্রমাাণ ও তথ্য লোপাট করার উদ্দেশ্যে সিসি ক্যামেরা ও ডিভাইজ এবং হার্ডডিক্স নিয়ে যাওয়া হয়। পরে স্থানীয় টিএম টেক্সাইল ফ্যাক্টরীর কেন্টিনে দেয়ার জন্য প্রস্তুতকৃত এক লাখ ৮০ হাজার টাকার গরুর মাংস চুরি করে নিয়ে যাওয়া হয়।
ওই ঘটনায় ব্যবসায়ী জজ মিয়া বাদি হয়ে সিডষ্টোর বাজার এলাকার আব্দুল লতিফের ছেলে যুবলীগ নেতা হানিফ মোহাম্মদ নিপুন (৩৫), কাশর গ্রামের জাফর সরকারের ছেলে ১০ নম্বর হবিরবাড়ি ইউনিয়ন যুবলীগের উপ দপ্তর সম্পাদক নাঈম সরকার (২৬) ও স্বাধীন সরকার (২২) এবং জনৈক আক্তার মূর্ধার (৪০) নাম উল্লেখ আরো অজ্ঞাতনামা ৪০/৪৫ জনদের বিরুদ্ধে ভালুকা মডেল থানায় মামলা (নম্বর ৪৩, তারিখ, ২৮/০২/২৪ইং ) দায়ের করেন।
ভালুকা মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো: জাহাঙ্গীর আলম জানান, সোমবার বিকেলে তার নেতৃত্বে একদল পুলিশ অভিযান চালিয়ে ঢাকার উত্তরা থেকে নাঈম সরকারকে গ্রেফতার করা হয়। পরে মঙ্গলবার সকালে তাকে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।
মোট পড়া হয়েছে: ২২৭

