প্রকাশিত হয়েছেঃ ফেব্রুয়ারি ১০, ২০২৪ সময়ঃ ৭:০৬ অপরাহ্ণ
ভালুকা (ময়মনসিংহ) সংবাদদাতা।।
ময়মনসিংহের ভালুকায় সিপি পোল্ট্রি ফার্মের লিটার (বিষ্ঠা) ব্যবসাকে কেন্দ্র করে হামলায় দু’পক্ষের দুইজন আহত হওয়ার অভিযোগ উঠেছে। ওই ঘটনায় পৃথক মামলা হলে যুবলীগকর্মী আলম মিয়া (৪৫) ও ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবকলীগের সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান রুবেল (২৮) নামে দুই পক্ষের দুইজনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। পরে শনিবার (১০ ফেব্রæয়ারী) গ্রেফতারকৃতদের আদালতে পাঠিয়েছে মডেল থানা পুলিশ। ঘটনাটি ঘটেছে শুক্রবার দুপুরে উপজেলা উথুরা ইউনিয়নের চামিয়াদী গ্রামে।
মামলা ও স্থানীয় বিভিন্ন সূত্রে জানা যায়, উপজেলার উথুরা ইউনিয়নের চামিয়াদী গ্রামের তোতা মিয়ার ছেলে যুবলীগকর্মী আলম মিয়া ও একই ইউনিয়নের মরচি গ্রামের আবদুল মজিদের ছেলে ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান রুবেলের মাঝে বিভিন্ন বিষয় বিরোধ চলে আসছিলো। এদিকে, পূর্ব বিরোধের জের ধরে গত বৃহষ্পতিবার (০৯ ফেব্রæয়ারী) সকালে উপজেলার চামিয়াদী বাজারে উভয় পক্ষের মাঝে কথা কটাকাটি থেকে হামলা ও আহত হওয়ার ঘটনা ঘটে। এতে ওই বাজারে উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনে। ওই সময় পুলিশ রুবেলকে থানায় নিয়ে আসে। এদিকে, প্রতিপক্ষের হামলায় আহত আলম মিয়াকে ভালুকা স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। পরে, এক পক্ষ থেকে সাতজন এবং অপর পক্ষ থেকে চার জনকে আসামী করে ভালুকা মডেল থানায় পৃথক দুইটি মামলা করা হয়। এদিকে, আলম পক্ষের মামলায় মিজানুর রহমান রুবেল ও রুবেল পক্ষের মামলায় আলম মিয়াকে গ্রেফতার করে শনিবার আদালতে পাঠায় পুলিশ।
স্থানীয়দের দাবি, সংসদ নির্বাচনের পর থেকেই স্থানীয় সিপির লিটার (বিষ্ঠা) ব্যবসা নিয়ে সাবেক এমপির গ্রæপের স্থানীয় যুবলীগকর্মী আলম মিয়া ও বর্তমান এমপির গ্রæপের ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবকলীগ সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান রুবেলের মাঝে দখল নিয়ে বিরোধ চলে আসছিলো। এ নিয়ে রুবেল বাদি হয়ে গত ২৭ জানুয়ারী মডেল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরী (নম্বর-১৪২৯) করেন। এরই জের হিসেবে শুক্রবার দুই পক্ষের মাঝে মারামারি ঘটনা ঘটে।
আলম পক্ষের মামলার বাদি মো. হারুন-অর-রশিদের দাবি, সুস্থ হওয়ার আগেই তার ভাই আলম মিয়াকে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র দেয়া হয়েছে। তবে এ ব্যাপারে অনেক চেষ্টা করেও রুবেলের পক্ষের কোন বক্তব্য দেয়া সম্ভব হয়নি।
ভালুকা মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শাহ কামাল আকন্দ জানান, উপজেলার চামিয়াদী বাজারের হামলার ঘটনায় পৃথক মামলা হয়েছে এবং দুই পক্ষেরই দুই জনকে গ্রেফতার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

