প্রকাশিত হয়েছেঃ ফেব্রুয়ারি ৮, ২০২৪ সময়ঃ ৫:৩৯ অপরাহ্ণ
ভালুকা (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি।।
ময়মনসিংহের ভালুকায় বিরোধপূর্ণ জমিতে ধানের চারা রোপন করতে গিয়ে প্রতিপক্ষের হামলায় মহিলাসহ ১০ জন আহত হয়েছেন। আহতদের ভালুকা ৫০ শয্যা সরকারী হাসপাতাল ও ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে বৃহস্পতিবার (৮ ফেব্রæয়ারী) সকালে উপজেলার মনোহরপুর গ্রামে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার মনোহরপুর গ্রামের মফিজ উদ্দিনের ছেলে মোফাজ্জল, উজ্জল ও নজরুল ইসলাম গংদের সাথে ভাতিজা রফিকুল ইসলাম, হানিফ ও শরিফদের মনোহরপুর মৌজার বিআরএস ৭৮৮, ৭৯০ ও ২১৫ নম্বর দাগে ১০ একর ৯৬ শতাংশ জমি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিলো। বৃহস্পতিবার সকালে রফিকুল ইসলাম ও তার ভাইয়েরা ওই জমিতে বোরো ধানের চারা লাগাতে যান। এ সময় প্রতিপক্ষ নজরুল ইসলামের নেতৃত্বে হানিফা, শরিফ, তুতু, আতিকুল, আমিনুল, শহিদ, তাইজউদ্দিন ও শাহিনসহ ২৫-৩০ জনের একটি সঙ্ঘবদ্ধদল দেশিয় অস্ত্রসস্ত্র নিয়ে তাদের উপর হামলা করে। এতে মফিজ উদ্দিনের ছেলে নজরুল ইসলা (৫৫), মোফাজ্জল হোসেন (৪০) ও উজ্জল মিয়া (৪৫); মৃত আব্দুল আউলের ছেলে মোস্তফা কামাল (৬০), মোস্তফার ছেলে মানিক মিয়া (৪০), নজরুল ইসলামের স্ত্রী আনোয়ারা খাতুন (৪৫), ছুরত আলীর ছেলে রফিকুল ইসলাম (৩৭), মানিক মিয়ার স্ত্রী ইতি আক্তার (২৪), ও রাজৈ গ্রামের হালিম উদ্দিনের ছেলে আশরাফুল আলমসহ (৪০) ১০ জন আহত হন। তাদের মাঝে আশঙ্কাজনক অবস্থায় নজরুল ইসলাম ও মোফাজ্জল হোসেনকে ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে।
আহত উজ্জল মিয়া জানান, সকালে তারা তাদের ভোগদখলিয় জমিতে ধানের চারা লাগাতে গেলে ভাতিজা রফিকুল ইসলামের নেতৃত্বে ভাড়াটিয়া সন্ত্রাসীরা দেশিয় অস্ত্রসস্ত্র নিয়ে তাদের উপর হামলা চালায়।
প্রতিপক্ষ রফিকুল ইসলামের মোবাইল নম্বরে একাধিকবার চেষ্টা করে ফোনটি বন্ধ থাকায় তার সাথে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।
স্থানীয় ইউপি সদস্য খলিলুর রহমান জানান, ওই জমি নিয়ে ইউনিয়ন পরিষদের বেশ কয়েকবার সালিশ হয়। কিন্তু সালিশের কোন সিদ্ধান্তই হামলাকারী রুহুল আমিনের ছেলেরা মানেনি। এমনকি তারা গত মৌসুমেও মফিজ উদ্দিন গংদের লাগানো আমন ধান কেটে নিয়ে যায়।
ভালুকা মডেল থানার পরিদর্শক (ওসি) শাহ্ কামাল আকন্দ জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

