রফিকুল ইসলাম খান, গফরগাঁও প্রতিনিধি।।
কখনো গাইনি ডাক্তার আছে তো অজ্ঞান বিশেষজ্ঞ ডাক্তার নেই, আবার অজ্ঞান বিশেষজ্ঞ ডাক্তার
আছে তো গাইনি ডাক্তার নেই। আর এই দুইয়ের সমন্বয়ের অভাবে দীর্ঘ এক যুগ কোনো সিজার হয়নি ময়মনসিংহের গফরগাঁও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে।
অবশেষে দীর্ঘ ১২ বছর পর গতকাল সোমবার আবার হাসপাতালটিতে প্রথম সিজার শুরু হয়। এদিন দুপুর ১ টার সময় প্রথম সিজারের মাধ্যমে পৃথিবীর আলো দেখে এক শিশু। এদিন উপজেলার রাওনা ইউনিয়নের লাউতৈল গ্রামের জনৈক ব্যাক্তির স্ত্রী (২০) কে সিজার করা হয়। জম্ম নেয় একটি কন্যাসন্তান। মা ও বাচ্চা দুইজনেই সুস্থ আছে। নানা জটিলতার কারণে প্রায় এক যুগ এ হাসপাতালে সিজার কার্যক্রম বন্ধ ছিল।
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ মাইন উদ্দিন খান মানিকের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় সিজারটি সম্পন্ন করেন গাইনি ও প্রসুতি রোগ বিশেষজ্ঞ ডাঃ উম্মেল উয়ারা খান চৌধুরী। তাকে সহযোগিতা করেন অজ্ঞান বিশেষজ্ঞ ডাঃ চয়ন কুমার দে ও ডাঃ আবু সাহিদ সজীব।
জানা যায়, গফরগাঁও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের অপারেশন থিয়েটারে ২০০৯ সাল থেকে সিজারিয়ান অপারেশন বন্ধ হয়ে যায়।
এবিষয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ মোঃ মাইন উদ্দিন খান মানিক জানান, দীর্ঘ দিন বন্ধ থাকা হাসপাতালে সিজারিয়ান অপারেশন চালু হওয়ায় মাতৃত্বকালীন মায়েরা এতে উপকৃত হবেন। গফরগাঁও উপজেলা ছাড়াও পার্শ্ববর্তী নান্দাইল ও হোসেনপুর (একাংশ) উপজেলার গর্ভবতী রোগীরা এখন থেকে চিকিৎসা সেবা পাবে।