প্রকাশিত হয়েছেঃ ডিসেম্বর ১৬, ২০২৫ সময়ঃ ৪:৩৮ অপরাহ্ণ
মোঃ জাকির হোসেন।।
যথাযোগ্য মর্যাদা ও উৎসবমুখর পরিবেশে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (বাকৃবি) নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে উদযাপিত হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৬ ডিসেম্বর) মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে সূর্যোদয়ের সাথে সাথে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়। সকাল ৭টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের স্টেডিয়ামে জাতীয় দিবস উদযাপন কমিটির আয়োজনে ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সংগঠনের অংশগ্রহণে শিশু-কিশোরদের সমাবেশ, কুচকাওয়াজ ও শারীরিক কসরত প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রবিষয়ক উপদেষ্টা ও জাতীয় দিবস উদযাপন কমিটির সভাপতি প্রফেসর ড. মোঃ শহীদুল হকের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. এ কে ফজলুল হক ভূঁইয়া।
এসময় কুচকাওয়াজে তিনি সালাম গ্রহণ করেন। তিনি তাঁর বক্তব্যে বলেন, “আজকের এই দিনটি বাংলাদেশের মানুষের জন্য এক ঐতিহাসিক দিন। ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর আমাদের বিজয় এনে দেওয়া শহীদদের আমরা গভীর শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করছি।”
তিনি মহান মুক্তিযুদ্ধে আত্মোৎসর্গকারী শহীদ মুক্তিযোদ্ধা, শহীদ বুদ্ধিজীবী ও স্বাধীনতাকামী সকল মানুষের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর প্রতি গভীর সমবেদনা প্রকাশ করেন। একই সঙ্গে তিনি শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে ২০২৪ সালে গণতন্ত্র ও বাকস্বাধীনতার জন্য জীবন উৎসর্গকারী ছাত্র-জনতাকে, যাঁদের আত্মত্যাগের মাধ্যমে দেশ স্বৈরাচারমুক্ত হয়েছে এবং বাকস্বাধীনতা পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হয়েছে।
বাকৃবি শিক্ষক সমিতির আয়োজনে সকাল ৮.৩০ মিনিটে শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক প্রফেসর ড. মোঃ আসাদুজ্জামান সরকারের সঞ্চালনায় বাকৃবি চত্বরে অবস্থিত মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. এ কে ফজলুল ভূঁইয়া। এসময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় দিবস উদযাপন কমিটির সভাপতি ও ছাত্র বিষয়ক উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মোঃ শহীদুল হক, বাকৃবি শিক্ষক সমিতির সভাপতি প্রফেসর ড. মোঃ রফিকুল ইসলাম সরদার, রেজিস্ট্রার কৃষিবিদ ড. মোঃ হেলাল উদ্দীনসহ শিক্ষক, ছাত্র-ছাত্রী ও কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ। এছাড়া পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন পেশাজীবী, সামাজিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের পক্ষ থেকে শিক্ষক শিক্ষার্থী কর্মকর্তা কর্মচারীগণ মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্প স্তবক অর্পণ করেন। এসময় শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে দোয়া করা হয়। মহান বিজয় দিবস উপলক্ষ্যে সারাদিনব্যাপী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক কম্পপ্লেক্সে, হলসমুহ এবং স্ব-স্ব সংগঠন ও প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনায় প্রীতি খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

